দেশের প্রতিটি গ্রামই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাক্ষেত্র।আমার কাছে আমার গ্রামই স্বর্গভূমি। অনলাইনে কয়েক লাইন লিখতে বসেছি আমার গ্রামের খাল নিয়ে।গ্রামের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে বোয়ালীখাল।পুরোনো জমি জায়গার দলিলে এই খালের নাম লুমাঘোমা খাল। ঐ খালের সঙ্গে গ্রামের মানুষের নিবিড় সম্পর্ক।আব্বার মুখে শুনা কথা আমাদের গ্রামের মানুষ চূড়ান্ত দরিদ্র ছিলেন।এখনও খুব একটা ভাল অর্থনৈতিক অবস্থা নয়।আগেকার সেই চরম অভাবের দিনে আমাদের গ্রামের মানুষ কখনও ভাতের চেয়ে মাছই বেশি পরিমাণে খেয়েছে।বোয়াল মাছ খালে পাওয়া যেত প্রচুর তাই খালের নাম বোয়ালীখাল এর থেকেই গ্রামের নামকরণ বোয়ালীপার।কাছাড়ের কাটিগড়ার তারিণীপুরের বোয়ালীপার অন্তত পিছিয়ে পড়া ঐ গ্রাম নিয়ে কেউ লিখেছিলেন বলে আমার জানা নেই।আমার দুর্বল কলম দিয়ে কতটা লিখতে পারবো ভয় পাই। আমাদের মাঠ ভরা ধান আর খাল ভরা মাছ।যদিও আজকাল আগের মত ততটা নেই।সেই খালের পাড়ের পাঠশালায় আমার পড়াশুনা জীবন শুরু। এখানেই আমার শৈশব।
বছরে দু-একবার খাল অনেকটা শুকিয়ে যায়।প্রত্যেকের বাড়ির সামনে নিজ সীমার মাপ অনুযায়ী পুকুরের মত গর্ত করে রাখা।ঐ গর্ত গুলোতে থেকে মাছ শিকারের সুবিধে বেশ ভাল হয়।আমি ছোট্ট থেকেই এমনভাবে পুকুরের মত গর্ত দেখে আসছি।শুনেছি বেশ কয়েক বছর আগে এভাবে গর্ত করে মাছ শিকারের পন্থা ছিল না।জল শুকিয়ে গেলে ঐ গর্ত গুলো থেকেই সহজ পদ্ধতিতে মাছ শিকার করা হয়।বেশ কয়েক ধরণের মাছ পাওয়া গেলেও বোয়াল মাছের প্রতি সবার খেয়াল বেশ।যখন বোয়াল মাছ কোন গর্ত থেকে কেউ ধরে ফেলে তখন আনন্দে উল্লাসে "গোয়াল"বলে চিৎকার দেয় সবাই।সেই আনন্দের অনুভূতি ঐ গ্রামের কেউ ছাড়া বোঝা কঠিন। সামান্য বন্যা হলেই সমস্ত মাঠ-ঘাট পথ একাকার হয়ে যায়।নৌকাই হয়ে ওঠে গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র বাহন। আমার শৈশব কাটিয়েছি গ্রামের পথে-প্রান্তরে,মাঠে-ঘাটে।বেশ হৈ হুল্লড় করে পরিপূর্ণতা আর অসীম প্রাপ্তির মধ্যেই দিয়ে কেটেছে আমার শৈশব।গ্রামের সবুজ পল্লীতে আমার গভীর সম্পর্ক। এই গ্রাম আমাকে অনেক কিছুই দিয়েছে।আমার শৈশবের চঞ্চলতা,কৈশোরের রঙিন আবেগ।আমার হাতেখড়ি প্রথম পে
য়েছিলাম আমার গ্রামের স্কুল থেকেই।
বছরে দু-একবার খাল অনেকটা শুকিয়ে যায়।প্রত্যেকের বাড়ির সামনে নিজ সীমার মাপ অনুযায়ী পুকুরের মত গর্ত করে রাখা।ঐ গর্ত গুলোতে থেকে মাছ শিকারের সুবিধে বেশ ভাল হয়।আমি ছোট্ট থেকেই এমনভাবে পুকুরের মত গর্ত দেখে আসছি।শুনেছি বেশ কয়েক বছর আগে এভাবে গর্ত করে মাছ শিকারের পন্থা ছিল না।জল শুকিয়ে গেলে ঐ গর্ত গুলো থেকেই সহজ পদ্ধতিতে মাছ শিকার করা হয়।বেশ কয়েক ধরণের মাছ পাওয়া গেলেও বোয়াল মাছের প্রতি সবার খেয়াল বেশ।যখন বোয়াল মাছ কোন গর্ত থেকে কেউ ধরে ফেলে তখন আনন্দে উল্লাসে "গোয়াল"বলে চিৎকার দেয় সবাই।সেই আনন্দের অনুভূতি ঐ গ্রামের কেউ ছাড়া বোঝা কঠিন। সামান্য বন্যা হলেই সমস্ত মাঠ-ঘাট পথ একাকার হয়ে যায়।নৌকাই হয়ে ওঠে গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র বাহন। আমার শৈশব কাটিয়েছি গ্রামের পথে-প্রান্তরে,মাঠে-ঘাটে।বেশ হৈ হুল্লড় করে পরিপূর্ণতা আর অসীম প্রাপ্তির মধ্যেই দিয়ে কেটেছে আমার শৈশব।গ্রামের সবুজ পল্লীতে আমার গভীর সম্পর্ক। এই গ্রাম আমাকে অনেক কিছুই দিয়েছে।আমার শৈশবের চঞ্চলতা,কৈশোরের রঙিন আবেগ।আমার হাতেখড়ি প্রথম পে
য়েছিলাম আমার গ্রামের স্কুল থেকেই।

Nicely written. Felt good reading your column.☺️
ReplyDeleteঅশেষ ধন্যবাদ !
Deleteবেশ সুন্দর ভাবে বর্ণণা করলেন। সুন্দর্য অনুভব করলাম।
ReplyDeleteধন্যবাদ ভাই!
Delete❤️❤️❤️
ReplyDeleteভালবাসা নিরন্তর ❤❤
DeleteKhub shundor ❤️
ReplyDelete